উত্তরদিনাজপুর

চাকুরি দেওয়ার জন্য প্রদেয় টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মৃত এক, আহত চারজন

চাকুরি দেওয়ার জন্য প্রদেয় টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মৃত এক, আহত চারজন। জ্বালিয়ে দেওয়া হলো তিনটি বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার পানিশালার তিওরডাঙ্গি গ্রামে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা থাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

        অভিযোগ রায়গঞ্জ থানার পানিশালার তিওরডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ ইসলাম এলাকার যুবক-যুবতীদের চাকুরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলে। সেই টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য গ্রামের বাসিন্দারা চাপ দিতে থাকে। এই নিয়ে গ্রামে কয়েকবার সালিশি সভাও বসানো হয়। সালিশি সভায় অভিযুক্ত মহম্মদ ইসলাম অনুপস্থিত থাকে।  পালটা মহম্মদ ইসলাম গ্রামের বাসিন্দাদের নামেই রায়গঞ্জ থানায় এফ আই আর করে। এতে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। সোমবার রাতে মহম্মদ ইসলাম, হামিদুল ইসলাম ও সাত্তার আলি এই তিনভাই আচমকাই উন্মত্ত ও উলঙ্গ অবস্থায় হাতে ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গ্রামবাসীদের উপর চড়াও হয়।  ভাঙচুর করা হয় বাড়িঘর, তাদের আক্রমনে আহত হয় চারজন। এরপরই ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা মহম্মদ ইসলাম সহ তিনভাইকে ঘিরে ফেলে গনপিটুনি দেয়। গনপিটুনি দেওয়ার সময়ই মূল অভিযুক্ত মহম্মদ ইসলাম ও হামিদুল ইসলাম পালিয়ে গেলেও আর এক ভাই সাত্তার আলি গনপিটুনিতে গুরুতর জখম হয়। তাকে রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। 

        অপরদিকে ওই তিন ভাইয়ের আক্রমণে আহত চার গ্রামবাসীর মধ্যে আকবর আলি ও মুনীব আলিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর উত্তেজিত বাসিন্দারা ওই তিনভাইয়ের সবকটি বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়। পানিশালার তিওরডাঙ্গি গ্রামে ব্যাপক উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানোর পাশাপাশি চলছে পুলিশি টহল। এই সংঘর্ষের ঘটনায় একজনকে আটক করে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।